বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত
- আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ হালকা করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। খসড়াটি নীতিগত ও চূড়ান্ত—দুই পর্যায়ের অনুমোদনই পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
১৮ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তবে অনুমোদনটি দেওয়া হয়েছে আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাই সাপেক্ষে। অর্থাৎ যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত রূপ পাবে।
একই ধারাবাহিকতায় সরকার ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ তৈরি করেছে। এই কৌশলপত্রের আওতায় আসন্ন গ্রীষ্মের আগেই ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে বলেই সময়সীমাটি সেভাবে ঠিক করা হয়েছে।
লক্ষ্য পূরণে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থা বসানো হবে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে। ছাদে বসানো সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে বলেই এই মডেলকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকেন্দ্রীকৃত পথ হিসেবে দেখা হয়।
সব মিলিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে সরকারের এই পদক্ষেপের পেছনে দুটি বিবেচনা স্পষ্ট—জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির বোঝা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ লাঘব করা।
খসড়াটি এখন আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। যাচাই শেষ হওয়ার পর অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত রূপ পাবে। সেই সঙ্গে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের কৌশলপত্র অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারের পরিকল্পনাও কার্যকর কাঠামোর মধ্যে চলে আসবে।
বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে ব্যবস্থা বসানোর নির্দেশনার মধ্য দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তীর্ণ ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগানোর একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো দাঁড় করানো হচ্ছে। তাতে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়বে, তেমনি গ্রিডের ওপর চাপও কিছুটা হলেও কমার কথা।
সূত্র: Daily Times of Bangladesh (tob.news)

























