বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ হালকা করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। খসড়াটি নীতিগত ও চূড়ান্ত—দুই পর্যায়ের অনুমোদনই পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

১৮ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তবে অনুমোদনটি দেওয়া হয়েছে আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাই সাপেক্ষে। অর্থাৎ যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত রূপ পাবে।

একই ধারাবাহিকতায় সরকার ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ তৈরি করেছে। এই কৌশলপত্রের আওতায় আসন্ন গ্রীষ্মের আগেই ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে বলেই সময়সীমাটি সেভাবে ঠিক করা হয়েছে।

লক্ষ্য পূরণে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থা বসানো হবে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে। ছাদে বসানো সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে বলেই এই মডেলকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকেন্দ্রীকৃত পথ হিসেবে দেখা হয়।

সব মিলিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে সরকারের এই পদক্ষেপের পেছনে দুটি বিবেচনা স্পষ্ট—জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির বোঝা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ লাঘব করা।

খসড়াটি এখন আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। যাচাই শেষ হওয়ার পর অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত রূপ পাবে। সেই সঙ্গে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের কৌশলপত্র অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারের পরিকল্পনাও কার্যকর কাঠামোর মধ্যে চলে আসবে।

বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে ব্যবস্থা বসানোর নির্দেশনার মধ্য দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তীর্ণ ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগানোর একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো দাঁড় করানো হচ্ছে। তাতে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়বে, তেমনি গ্রিডের ওপর চাপও কিছুটা হলেও কমার কথা।

সূত্র: Daily Times of Bangladesh (tob.news)

Special Solar Power Installation Ordinance gets Cabinet nod

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ হালকা করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। খসড়াটি নীতিগত ও চূড়ান্ত—দুই পর্যায়ের অনুমোদনই পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

১৮ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তবে অনুমোদনটি দেওয়া হয়েছে আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাই সাপেক্ষে। অর্থাৎ যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত রূপ পাবে।

একই ধারাবাহিকতায় সরকার ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ তৈরি করেছে। এই কৌশলপত্রের আওতায় আসন্ন গ্রীষ্মের আগেই ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে বলেই সময়সীমাটি সেভাবে ঠিক করা হয়েছে।

লক্ষ্য পূরণে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থা বসানো হবে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে। ছাদে বসানো সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে বলেই এই মডেলকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকেন্দ্রীকৃত পথ হিসেবে দেখা হয়।

সব মিলিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে সরকারের এই পদক্ষেপের পেছনে দুটি বিবেচনা স্পষ্ট—জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির বোঝা কমানো এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ লাঘব করা।

খসড়াটি এখন আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। যাচাই শেষ হওয়ার পর অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত রূপ পাবে। সেই সঙ্গে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের কৌশলপত্র অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারের পরিকল্পনাও কার্যকর কাঠামোর মধ্যে চলে আসবে।

বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে ব্যবস্থা বসানোর নির্দেশনার মধ্য দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তীর্ণ ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগানোর একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো দাঁড় করানো হচ্ছে। তাতে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়বে, তেমনি গ্রিডের ওপর চাপও কিছুটা হলেও কমার কথা।

সূত্র: Daily Times of Bangladesh (tob.news)

Special Solar Power Installation Ordinance gets Cabinet nod