বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

চীনা ব্যাংকের শাখা খোলার উদ্যোগে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীন এক্সিম ব্যাংক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্রমবর্ধমান সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকগুলোর শাখা খোলার উদ্যোগ নিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রপ্তানি-আমদানি ব্যাংক (চায়না এক্সিম ব্যাংক)। বেইজিংয়ে চায়না এক্সিম ব্যাংকের সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করা হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী অনুষ্ঠানে আর্থিক সংযোগকে দুই দেশের সহযোগিতার পরবর্তী ক্ষেত্র বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল—বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গতি বাড়াতে হলে দুই দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি সংযোগ অপরিহার্য।

২০ অক্টোবর জারি করা ইনভেস্ট বাংলাদেশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যৌথভাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চীনের ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন খাতের ২৬টি কোম্পানি অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না ও ব্যাংক অব চায়নার মতো বড় ব্যাংক।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার বিনিয়োগখাতগুলোর সুযোগ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল (সিইআইজেড) ও মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘পরবর্তী ক্ষেত্র—বাংলাদেশ-চীন আর্থিক সংযোগ’ শীর্ষক মূল উপস্থাপনা দেয়।

এই উদ্যোগের অর্থ—চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে এখন থেকে লেনদেন, ঋণ ও বাণিজ্য অর্থায়নের পথ অনেক সহজ হবে। চীনা ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থাকলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ব্যয় কমবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দীর্ঘদিন ধরেই চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। আর্থিক সংযোগের এই নতুন ধাপ সেই সম্পর্ককে আরও গভীর করবে—এমনটাই আশা দুই পক্ষের। বাংলাদেশ ডে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চীনা আর্থিক খাতের কাছে বাংলাদেশের বাজার তুলে ধরার কাজটা যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো, তা এই উদ্যোগেই স্পষ্ট।

ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে চীনা ব্যাংকের শাখা এ দেশে খুললে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের ঋণ পাওয়া, বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তি ও অর্থায়নের পথ মসৃণ হবে। সিইআইজেড ও মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের যে বিনিয়োগ সুযোগ অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হলো, সেখানে চীনা উদ্যোক্তাদের জন্য স্থানীয় ব্যাংকিং সেবা বড় সহায়ক হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশের যৌথ উপস্থাপনা দুই দেশের আর্থিক সহযোগিতার পরবর্তী ধাপের দিকনির্দেশনাও দিচ্ছে।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/economy/banking/china-exim-bank-invest-bangladesh-seek-attract-chinese-banks-trade-reaches-19bn-fy25

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

চীনা ব্যাংকের শাখা খোলার উদ্যোগে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীন এক্সিম ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৬:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্রমবর্ধমান সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকগুলোর শাখা খোলার উদ্যোগ নিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রপ্তানি-আমদানি ব্যাংক (চায়না এক্সিম ব্যাংক)। বেইজিংয়ে চায়না এক্সিম ব্যাংকের সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করা হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী অনুষ্ঠানে আর্থিক সংযোগকে দুই দেশের সহযোগিতার পরবর্তী ক্ষেত্র বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল—বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গতি বাড়াতে হলে দুই দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি সংযোগ অপরিহার্য।

২০ অক্টোবর জারি করা ইনভেস্ট বাংলাদেশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যৌথভাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চীনের ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন খাতের ২৬টি কোম্পানি অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না ও ব্যাংক অব চায়নার মতো বড় ব্যাংক।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার বিনিয়োগখাতগুলোর সুযোগ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল (সিইআইজেড) ও মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘পরবর্তী ক্ষেত্র—বাংলাদেশ-চীন আর্থিক সংযোগ’ শীর্ষক মূল উপস্থাপনা দেয়।

এই উদ্যোগের অর্থ—চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে এখন থেকে লেনদেন, ঋণ ও বাণিজ্য অর্থায়নের পথ অনেক সহজ হবে। চীনা ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থাকলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ব্যয় কমবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দীর্ঘদিন ধরেই চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। আর্থিক সংযোগের এই নতুন ধাপ সেই সম্পর্ককে আরও গভীর করবে—এমনটাই আশা দুই পক্ষের। বাংলাদেশ ডে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চীনা আর্থিক খাতের কাছে বাংলাদেশের বাজার তুলে ধরার কাজটা যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো, তা এই উদ্যোগেই স্পষ্ট।

ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে চীনা ব্যাংকের শাখা এ দেশে খুললে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের ঋণ পাওয়া, বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তি ও অর্থায়নের পথ মসৃণ হবে। সিইআইজেড ও মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের যে বিনিয়োগ সুযোগ অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হলো, সেখানে চীনা উদ্যোক্তাদের জন্য স্থানীয় ব্যাংকিং সেবা বড় সহায়ক হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশের যৌথ উপস্থাপনা দুই দেশের আর্থিক সহযোগিতার পরবর্তী ধাপের দিকনির্দেশনাও দিচ্ছে।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/economy/banking/china-exim-bank-invest-bangladesh-seek-attract-chinese-banks-trade-reaches-19bn-fy25