বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

দ্বিতীয় বছরেই অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত স্থিতিশীল হবে: অর্থমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারের মেয়াদের দ্বিতীয় বছরের শেষ নাগাদ জ্বালানি খাতসহ দেশের অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ২১ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি) আয়োজিত ‘টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: বাংলাদেশে বিনিয়োগের চালিকা শক্তি’ শীর্ষক মধ্যাহ্নভোজ সভায় তিনি এই রূপরেখা তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের ধারা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবে। তাঁর হিসাবে, দ্বিতীয় বছরের শেষে স্থিতিশীলতার ভিত্তি তৈরি হলে তৃতীয় বছর হবে উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময়। আর চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে আসবে প্রকৃত উড্ডয়নের পর্ব। এই পথে করব্যবস্থার বড় সংস্কারের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

করনীতির কিছু অসামঞ্জস্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সভায় তিনি উল্লেখ করেন। এই ইস্যুতে কর বিভাগ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক হয়েছে বলে তিনি জানান। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, ধাপে ধাপে এই খাতে উন্নতি দৃশ্যমান হবে।

ফিকির এই মধ্যাহ্নভোজ সভায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন।

জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতাকে তিনি সার্বিক অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের সঙ্গে যুক্ত করে দেখেন। তাঁর মতে, জ্বালানির সরবরাহ ও দামের পূর্বানুমেয়তা নিশ্চিত করা গেলে শিল্প ও বাণিজ্যে আস্থা ফিরবে। সেই আস্থা থেকেই বিনিয়োগ বাড়বে, আর বিনিয়োগ বাড়লে অর্থনীতির চাকা ঘুরবে দ্রুততর।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা করব্যবস্থার সংস্কার ও জ্বালানি খাতের রূপরেখা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে আসে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতে নীতির ধারাবাহিকতা ও করকাঠামোর স্বচ্ছতা বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের বড় নির্ধারক। সেই দিক থেকে করনীতির অসামঞ্জস্য দূর করার অঙ্গীকার ও কর বিভাগের সঙ্গে বেসরকারি খাতের বৈঠকের কথা সভায় ইতিবাচক বার্তা হিসেবে গৃহীত হয়।

ধাপে ধাপে সংস্কারের এই যাত্রা সফল হলে দেশের অর্থনীতি নির্ধারিত সময়েই স্থিতিশীলতার ধাপে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা সভার সমাপনীতে প্রতিফলিত হয়।

সূত্র: The Bangladesh Today

Economy, energy sector expected to stabilise by government’s second year: Khosru 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

দ্বিতীয় বছরেই অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত স্থিতিশীল হবে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সরকারের মেয়াদের দ্বিতীয় বছরের শেষ নাগাদ জ্বালানি খাতসহ দেশের অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ২১ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি) আয়োজিত ‘টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: বাংলাদেশে বিনিয়োগের চালিকা শক্তি’ শীর্ষক মধ্যাহ্নভোজ সভায় তিনি এই রূপরেখা তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের ধারা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবে। তাঁর হিসাবে, দ্বিতীয় বছরের শেষে স্থিতিশীলতার ভিত্তি তৈরি হলে তৃতীয় বছর হবে উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময়। আর চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে আসবে প্রকৃত উড্ডয়নের পর্ব। এই পথে করব্যবস্থার বড় সংস্কারের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

করনীতির কিছু অসামঞ্জস্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সভায় তিনি উল্লেখ করেন। এই ইস্যুতে কর বিভাগ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক হয়েছে বলে তিনি জানান। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, ধাপে ধাপে এই খাতে উন্নতি দৃশ্যমান হবে।

ফিকির এই মধ্যাহ্নভোজ সভায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন।

জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতাকে তিনি সার্বিক অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের সঙ্গে যুক্ত করে দেখেন। তাঁর মতে, জ্বালানির সরবরাহ ও দামের পূর্বানুমেয়তা নিশ্চিত করা গেলে শিল্প ও বাণিজ্যে আস্থা ফিরবে। সেই আস্থা থেকেই বিনিয়োগ বাড়বে, আর বিনিয়োগ বাড়লে অর্থনীতির চাকা ঘুরবে দ্রুততর।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা করব্যবস্থার সংস্কার ও জ্বালানি খাতের রূপরেখা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে আসে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতে নীতির ধারাবাহিকতা ও করকাঠামোর স্বচ্ছতা বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের বড় নির্ধারক। সেই দিক থেকে করনীতির অসামঞ্জস্য দূর করার অঙ্গীকার ও কর বিভাগের সঙ্গে বেসরকারি খাতের বৈঠকের কথা সভায় ইতিবাচক বার্তা হিসেবে গৃহীত হয়।

ধাপে ধাপে সংস্কারের এই যাত্রা সফল হলে দেশের অর্থনীতি নির্ধারিত সময়েই স্থিতিশীলতার ধাপে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা সভার সমাপনীতে প্রতিফলিত হয়।

সূত্র: The Bangladesh Today

Economy, energy sector expected to stabilise by government’s second year: Khosru