ওলেশকিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি, নভেম্বরে নতুন শান্তি আলোচনা
- আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
রাশিয়া-অধিকৃত ইউক্রেনীয় শহর ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে।
যুদ্ধবিরতির মূল উদ্দেশ্য দুটি—যুদ্ধকবলিত এলাকায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং বেসামরিক মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া। হোয়াইট হাউসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে ওলেশকিতে বাসিন্দা ছিলেন ২৪ হাজার। এখন সেখানে রয়ে গেছেন মাত্র ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার জন, যাদের বেশিরভাগই বয়স্ক। অর্থাৎ দীর্ঘ যুদ্ধের ধাক্কায় শহরটির জনবসতি প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, নভেম্বরের প্রথমার্ধে আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠককে ঘিরে শান্তি আলোচনার নতুন একটি ধাপ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার দিনই বন্দি বিনিময়ের একটি বড় পদক্ষেপও সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষ পরস্পরের হাতে তুলে দিয়েছে ২৭০ জন করে সেনা সদস্যকে।
যুদ্ধে বিধ্বস্ত ওলেশকির মতো এলাকাগুলোতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো ও বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়ার পথ খুলবে। আর আবুধাবির বৈঠক সফল হলে এই সমঝোতা আরও বিস্তৃত পরিসরে শান্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার ভিত্তি হতে পারে। ২৭ অক্টোবর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই যুদ্ধবিরতির দিকে এখন নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষেরই।
দিনিপ্রো নদীর তীরের শহর ওলেশকির চিত্রটি যুদ্ধের ভয়াবহতার একটি বড় প্রমাণ। ২৪ হাজার বাসিন্দার শহরে এখন রয়েছেন দুই হাজারেরও কম মানুষ—অর্থাৎ মূল জনসংখ্যার দশ ভাগের এক ভাগেরও কম। যাঁরা রয়ে গেছেন, তাঁদের বেশিরভাগই বয়স্ক, যাঁদের জন্য এলাকা ছেড়ে যাওয়া ছিল কঠিন।
বন্দি বিনিময়কে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও সীমিত আস্থার একটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়। একই দিনে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা ও ২৭০ জন করে বন্দি বিনিময়ের ঘটনা তাই কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত হিসেবে পর্যবেক্ষকদের নজর কেড়েছে।
সূত্র: Reuters
https://www.reuters.com/world/europe/russia-ukraine-agree-ceasefire-embattled-town-hold-peace-talks-next-month-2026-10-23/





















