বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নিয়ে কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৮ অক্টোবর সাভার সেনানিবাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ওই দিন সাভার সেনানিবাসে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সদস্যদের কল্যাণের নানা দিক তুলে ধরেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের বরাতে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই এই খবর জানিয়েছে। ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থায় একই পদমর্যাদায় ও একই মেয়াদের চাকরি শেষে অবসরে যাওয়া সদস্যরা সমান হারে পেনশন পেয়ে থাকেন—এই সমতা নিশ্চিত করাই ব্যবস্থাটির মূল কথা।

ক্ষমতাসীন বিএনপি গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনী ইশতেহারে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্যদের জন্য এই ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়—সামরিক ও বেসামরিক উভয় খাতেই ধাপে ধাপে ২০৩০ সালের মধ্যে ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা চালু করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলার কথা আবারও উঠে এল।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি তিনি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।

জাতীয় পতাকা প্রদান সামরিক ইউনিটগুলোর জন্য মর্যাদা ও স্বীকৃতির একটি বিশেষ মুহূর্ত। সাভার সেনানিবাসে সেই অনুষ্ঠান থেকেই প্রধানমন্ত্রী পেনশন সংস্কার নিয়ে সরকারের অগ্রগতির খবর দিলেন। মন্ত্রিসভার ৩১ আগস্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা পৌঁছাবে সামরিক ও বেসামরিক—দুই খাতেই। সেই সময়সূচি ধরেই এখন কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।

সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটিতে একই সঙ্গে উঠে এসেছে বাহিনীর আধুনিকায়ন, সদস্যদের কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতার প্রশ্ন—তিনটি বিষয়ই ছিল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের কেন্দ্রে।

সূত্র: The Print

https://theprint.in/world/bangladesh-pm-rahman-says-orop-scheme-for-military-personnel-in-works/3075210/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নিয়ে কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৮ অক্টোবর সাভার সেনানিবাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ওই দিন সাভার সেনানিবাসে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সদস্যদের কল্যাণের নানা দিক তুলে ধরেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের বরাতে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই এই খবর জানিয়েছে। ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থায় একই পদমর্যাদায় ও একই মেয়াদের চাকরি শেষে অবসরে যাওয়া সদস্যরা সমান হারে পেনশন পেয়ে থাকেন—এই সমতা নিশ্চিত করাই ব্যবস্থাটির মূল কথা।

ক্ষমতাসীন বিএনপি গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনী ইশতেহারে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্যদের জন্য এই ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়—সামরিক ও বেসামরিক উভয় খাতেই ধাপে ধাপে ২০৩০ সালের মধ্যে ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা চালু করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলার কথা আবারও উঠে এল।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি তিনি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।

জাতীয় পতাকা প্রদান সামরিক ইউনিটগুলোর জন্য মর্যাদা ও স্বীকৃতির একটি বিশেষ মুহূর্ত। সাভার সেনানিবাসে সেই অনুষ্ঠান থেকেই প্রধানমন্ত্রী পেনশন সংস্কার নিয়ে সরকারের অগ্রগতির খবর দিলেন। মন্ত্রিসভার ৩১ আগস্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা পৌঁছাবে সামরিক ও বেসামরিক—দুই খাতেই। সেই সময়সূচি ধরেই এখন কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।

সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটিতে একই সঙ্গে উঠে এসেছে বাহিনীর আধুনিকায়ন, সদস্যদের কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতার প্রশ্ন—তিনটি বিষয়ই ছিল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের কেন্দ্রে।

সূত্র: The Print

https://theprint.in/world/bangladesh-pm-rahman-says-orop-scheme-for-military-personnel-in-works/3075210/