বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

আবিয়েইয়ের বাজারে ড্রোন হামলায় ১৫০ জনের বেশি নিহত, সুদান যুদ্ধের বিস্তার উন্মোচিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যকার বিতর্কিত আবিয়েই এলাকার একটি বাজারে ড্রোন হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলাটি ঘটে আমিয়েত বাজারে। এতে বাজারের দোকান ও স্টলগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) ব্যবহৃত একটি জ্বালানি ডিপো। বাজার এলাকায় এমন ডিপোর অবস্থানই হতাহতের সংখ্যা এত বড় আকার ধারণ করার একটি কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

কূটনীতিক ও বিশ্লেষকদের মতে, বাজারটি আরএসএফের জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠিত একটি অংশ ছিল, যার মধ্য দিয়ে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ পৌঁছাত আরএসএফের হাতে, ফলে বাজারটির গুরুত্ব ছিল শুধু বাণিজ্যিক নয়, কৌশলগতও বটে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, দক্ষিণ সুদান দিয়ে আমদানি করা জ্বালানির বড় একটি অংশ আবিয়েই হয়ে আরএসএফের নেটওয়ার্কের হাতে পৌঁছায়। ফলে যুদ্ধের সরবরাহ শৃঙ্খলে এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।

এই হামলার ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সুদানের যুদ্ধের সরবরাহ লাইন কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। জ্বালানি সরবরাহের পথ ধরে যুদ্ধের ছোঁয়া পৌঁছে যাচ্ছে প্রতিবেশী ও বিতর্কিত এলাকাগুলোতেও, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আবিয়েইয়ের এই ঘটনাই এখন পর্যন্ত সেই বিস্তারের সবচেয়ে প্রাণঘাতী উদাহরণগুলোর একটি হয়ে রইল সংশ্লিষ্ট সবার কাছে স্পষ্টভাবে।

আবিয়েইয়ের ঘটনা তাই শুধু একটি হামলার খবর নয়; এটি দেখিয়ে দিল, একটি দেশের ভেতরের যুদ্ধ কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে আশপাশের এলাকার স্থিতিশীলতাকেও নাড়িয়ে দিতে পারে। জনবহুল একটি বাজারে হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি এই যুদ্ধে বেসামরিক প্রাণহানির ভয়াবহ চিত্রটিকেই আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

আবিয়েই এমন একটি এলাকা, যার মর্যাদা নিয়ে সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। বাজারের মতো জনবহুল জায়গার কাছাকাছি জ্বালানি ডিপোর অবস্থানই হামলার পরিণতিকে করেছে আরও ভয়াবহ—বিস্ফোরণ ও ধ্বংসযজ্ঞে দোকান ও স্টলগুলো গুঁড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ সুদান থেকে আসা জ্বালানি আবিয়েই হয়ে আরএসএফের হাতে পৌঁছানোর এই পথটিই এলাকাটিকে যুদ্ধের সরবরাহ-অর্থনীতির অংশ বানিয়ে দিয়েছে। ফলে এলাকাটির কৌশলগত গুরুত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে সেখানকার মানুষের ঝুঁকিও।

সূত্র: Reuters

https://www.reuters.com/world/africa/drone-strike-market-town-exposes-reach-trade-fuelling-sudan-war-2026-10-23/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

আবিয়েইয়ের বাজারে ড্রোন হামলায় ১৫০ জনের বেশি নিহত, সুদান যুদ্ধের বিস্তার উন্মোচিত

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যকার বিতর্কিত আবিয়েই এলাকার একটি বাজারে ড্রোন হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলাটি ঘটে আমিয়েত বাজারে। এতে বাজারের দোকান ও স্টলগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) ব্যবহৃত একটি জ্বালানি ডিপো। বাজার এলাকায় এমন ডিপোর অবস্থানই হতাহতের সংখ্যা এত বড় আকার ধারণ করার একটি কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

কূটনীতিক ও বিশ্লেষকদের মতে, বাজারটি আরএসএফের জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠিত একটি অংশ ছিল, যার মধ্য দিয়ে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ পৌঁছাত আরএসএফের হাতে, ফলে বাজারটির গুরুত্ব ছিল শুধু বাণিজ্যিক নয়, কৌশলগতও বটে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, দক্ষিণ সুদান দিয়ে আমদানি করা জ্বালানির বড় একটি অংশ আবিয়েই হয়ে আরএসএফের নেটওয়ার্কের হাতে পৌঁছায়। ফলে যুদ্ধের সরবরাহ শৃঙ্খলে এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।

এই হামলার ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সুদানের যুদ্ধের সরবরাহ লাইন কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। জ্বালানি সরবরাহের পথ ধরে যুদ্ধের ছোঁয়া পৌঁছে যাচ্ছে প্রতিবেশী ও বিতর্কিত এলাকাগুলোতেও, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আবিয়েইয়ের এই ঘটনাই এখন পর্যন্ত সেই বিস্তারের সবচেয়ে প্রাণঘাতী উদাহরণগুলোর একটি হয়ে রইল সংশ্লিষ্ট সবার কাছে স্পষ্টভাবে।

আবিয়েইয়ের ঘটনা তাই শুধু একটি হামলার খবর নয়; এটি দেখিয়ে দিল, একটি দেশের ভেতরের যুদ্ধ কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে আশপাশের এলাকার স্থিতিশীলতাকেও নাড়িয়ে দিতে পারে। জনবহুল একটি বাজারে হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি এই যুদ্ধে বেসামরিক প্রাণহানির ভয়াবহ চিত্রটিকেই আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

আবিয়েই এমন একটি এলাকা, যার মর্যাদা নিয়ে সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। বাজারের মতো জনবহুল জায়গার কাছাকাছি জ্বালানি ডিপোর অবস্থানই হামলার পরিণতিকে করেছে আরও ভয়াবহ—বিস্ফোরণ ও ধ্বংসযজ্ঞে দোকান ও স্টলগুলো গুঁড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ সুদান থেকে আসা জ্বালানি আবিয়েই হয়ে আরএসএফের হাতে পৌঁছানোর এই পথটিই এলাকাটিকে যুদ্ধের সরবরাহ-অর্থনীতির অংশ বানিয়ে দিয়েছে। ফলে এলাকাটির কৌশলগত গুরুত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে সেখানকার মানুষের ঝুঁকিও।

সূত্র: Reuters

https://www.reuters.com/world/africa/drone-strike-market-town-exposes-reach-trade-fuelling-sudan-war-2026-10-23/