বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

আট মাসে চা উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনুকূল বৃষ্টিপাতের সুবাদে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশে চা উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ৫ কোটি ৭৯ লাখ কেজি, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৯৫ লাখ কেজি। ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে জানুয়ারি-আগস্ট সময়ের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ উৎপাদন।

চা বোর্ডের সদস্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসেন জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বছর শেষে উৎপাদন ১০ কোটি ৫০ লাখ কেজিতে পৌঁছাতে পারে। এর আগে সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে, ১০ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার কেজি।

বৃষ্টিপাতের চিত্রটাও উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শ্রীমঙ্গলে জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২ হাজার ৬২০ মিলিমিটার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ শতাংশ বেশি। চা উৎপাদনে নিয়মিত ও পরিমিত বৃষ্টির ভূমিকা সুবিদিত; এই বছরের বৃষ্টি সেই চাহিদা পূরণ করেছে বলে খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

উৎপাদন বাড়লেও বাজারে চায়ের দাম তুলনামূলক উঁচুতে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের ন্যূনতম নিলামমূল্য নীতির কারণে নিলামে দাম বেশি রয়েছে। ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ থাকায় উৎপাদকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন, কিন্তু দাম না কমায় ক্রেতাদের জন্য চা কেনা কিছুটা ব্যয়বহুল থেকে যাচ্ছে।

বছর শেষের রেকর্ডের বিষয়ে আশাবাদী চা বোর্ড। বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী মাসগুলোতেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ১০ কোটি ৫০ লাখ কেজির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া কঠিন হবে না। এতে চা খাতের উৎপাদক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বছরটা হবে সুখবরের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চা উৎপাদনে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আবহাওয়ার পাশাপাশি আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও বাগান ব্যবস্থাপনার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বৃষ্টির অনুকূলতা যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে বাগানগুলোর টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত বিনিয়োগেরও বিকল্প নেই বলে তাঁরা মনে করেন।

ন্যূনতম নিলামমূল্য নীতির প্রসঙ্গে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নীতি উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষা করলেও দামের ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা চলমান। উৎপাদন যখন বাড়ছে, তখন ভোক্তা পর্যায়ে চায়ের দাম সহনীয় রাখার বিষয়টিও নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় থাকা দরকার বলে তাঁদের মত। রেকর্ড উৎপাদনের এই বছর চা খাতের সার্বিক সংস্কারের দিকেও দৃষ্টি দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/economy/tea-production-rises-nearly-17-eight-months-amid-favourable-rainfall-1580781

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

আট মাসে চা উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

অনুকূল বৃষ্টিপাতের সুবাদে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশে চা উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ৫ কোটি ৭৯ লাখ কেজি, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৯৫ লাখ কেজি। ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে জানুয়ারি-আগস্ট সময়ের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ উৎপাদন।

চা বোর্ডের সদস্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসেন জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বছর শেষে উৎপাদন ১০ কোটি ৫০ লাখ কেজিতে পৌঁছাতে পারে। এর আগে সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে, ১০ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার কেজি।

বৃষ্টিপাতের চিত্রটাও উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শ্রীমঙ্গলে জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২ হাজার ৬২০ মিলিমিটার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ শতাংশ বেশি। চা উৎপাদনে নিয়মিত ও পরিমিত বৃষ্টির ভূমিকা সুবিদিত; এই বছরের বৃষ্টি সেই চাহিদা পূরণ করেছে বলে খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

উৎপাদন বাড়লেও বাজারে চায়ের দাম তুলনামূলক উঁচুতে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের ন্যূনতম নিলামমূল্য নীতির কারণে নিলামে দাম বেশি রয়েছে। ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ থাকায় উৎপাদকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন, কিন্তু দাম না কমায় ক্রেতাদের জন্য চা কেনা কিছুটা ব্যয়বহুল থেকে যাচ্ছে।

বছর শেষের রেকর্ডের বিষয়ে আশাবাদী চা বোর্ড। বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী মাসগুলোতেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ১০ কোটি ৫০ লাখ কেজির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া কঠিন হবে না। এতে চা খাতের উৎপাদক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বছরটা হবে সুখবরের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চা উৎপাদনে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আবহাওয়ার পাশাপাশি আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও বাগান ব্যবস্থাপনার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বৃষ্টির অনুকূলতা যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে বাগানগুলোর টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত বিনিয়োগেরও বিকল্প নেই বলে তাঁরা মনে করেন।

ন্যূনতম নিলামমূল্য নীতির প্রসঙ্গে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নীতি উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষা করলেও দামের ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা চলমান। উৎপাদন যখন বাড়ছে, তখন ভোক্তা পর্যায়ে চায়ের দাম সহনীয় রাখার বিষয়টিও নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় থাকা দরকার বলে তাঁদের মত। রেকর্ড উৎপাদনের এই বছর চা খাতের সার্বিক সংস্কারের দিকেও দৃষ্টি দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/economy/tea-production-rises-nearly-17-eight-months-amid-favourable-rainfall-1580781