বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য খাতকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই বৈশ্বিক মূল্যায়নে বাংলাদেশ পেয়েছে ৩২-এর মধ্যে ১৩ নম্বর। গ্লোবাল ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ অ্যালায়েন্সের ২০২৬ সালের স্কোরকার্ডে এই ফল উঠে এসেছে। মূল প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় ১৯ অক্টোবর। মূল্যায়নে ১৩২টি দেশের ১১৭টি পরিকল্পনা যাচাই করা হয়েছে।

স্কোরকার্ডের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের ফল মিশ্র। স্বাস্থ্য উপকারিতা স্বীকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পূর্ণ নম্বর পেয়েছে। অর্থাৎ জলবায়ু পদক্ষেপের সঙ্গে স্বাস্থ্য উপকারিতার সম্পর্ক পরিকল্পনায় স্বীকৃত হয়েছে। তবে অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন তদারকিতে কোনো নম্বর পায়নি বাংলাদেশ। এই দুটি ক্ষেত্রে ঘাটতি ফলের ওপর প্রভাব ফেলেছে।

স্বাস্থ্য খাতের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে চারের মধ্যে তিন নম্বর এসেছে বাংলাদেশের ভাগে। এটি তুলনামূলকভাবে ভালো দিক হিসেবে দেখা যেতে পারে। প্রতিবেদনে জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রস্তুত রাখার বিষয়টি এখানে গুরুত্ব পেয়েছে।

তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কলম্বিয়া। তাদের প্রাপ্তি ২৯ নম্বর। শীর্ষ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান থেকে বোঝা যায়, পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত আরও অনেক কাজ বাকি। বিশেষ করে অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়ন তদারকি জোরদার করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

জলবায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাপপ্রবাহ, বন্যা কিংবা রোগের ধরন বদলে যাওয়া স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ায়। তাই জাতীয় পরিকল্পনায় স্বাস্থ্যকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। এই মূল্যায়ন বাংলাদেশের জন্য একটি পরিমাপক হিসেবে কাজ করতে পারে। ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে পরবর্তী পরিকল্পনায় সেগুলো পূরণের সুযোগ রয়েছে।

এই মূল্যায়নের ফল থেকে পরিকল্পনার শক্তি ও দুর্বলতা—দুটোই চিহ্নিত করা যায়। স্বাস্থ্য উপকারিতা স্বীকারের ক্ষেত্রে পূর্ণ নম্বর পাওয়া একটি ইতিবাচক দিক। কিন্তু অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন তদারকিতে নম্বর না পাওয়া পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পরবর্তী পরিকল্পনায় এই দুটি ক্ষেত্রে উন্নতি হলে সামগ্রিক স্কোরও বাড়তে পারে। জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে অর্থায়ন ও তদারকি—দুটোই সমানভাবে জরুরি।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/bangladesh/environment/bangladesh-scores-13-out-32-global-climate-health-assessment-1578686

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য খাতকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই বৈশ্বিক মূল্যায়নে বাংলাদেশ পেয়েছে ৩২-এর মধ্যে ১৩ নম্বর। গ্লোবাল ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ অ্যালায়েন্সের ২০২৬ সালের স্কোরকার্ডে এই ফল উঠে এসেছে। মূল প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় ১৯ অক্টোবর। মূল্যায়নে ১৩২টি দেশের ১১৭টি পরিকল্পনা যাচাই করা হয়েছে।

স্কোরকার্ডের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের ফল মিশ্র। স্বাস্থ্য উপকারিতা স্বীকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পূর্ণ নম্বর পেয়েছে। অর্থাৎ জলবায়ু পদক্ষেপের সঙ্গে স্বাস্থ্য উপকারিতার সম্পর্ক পরিকল্পনায় স্বীকৃত হয়েছে। তবে অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন তদারকিতে কোনো নম্বর পায়নি বাংলাদেশ। এই দুটি ক্ষেত্রে ঘাটতি ফলের ওপর প্রভাব ফেলেছে।

স্বাস্থ্য খাতের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে চারের মধ্যে তিন নম্বর এসেছে বাংলাদেশের ভাগে। এটি তুলনামূলকভাবে ভালো দিক হিসেবে দেখা যেতে পারে। প্রতিবেদনে জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রস্তুত রাখার বিষয়টি এখানে গুরুত্ব পেয়েছে।

তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কলম্বিয়া। তাদের প্রাপ্তি ২৯ নম্বর। শীর্ষ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান থেকে বোঝা যায়, পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত আরও অনেক কাজ বাকি। বিশেষ করে অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়ন তদারকি জোরদার করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

জলবায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাপপ্রবাহ, বন্যা কিংবা রোগের ধরন বদলে যাওয়া স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ায়। তাই জাতীয় পরিকল্পনায় স্বাস্থ্যকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। এই মূল্যায়ন বাংলাদেশের জন্য একটি পরিমাপক হিসেবে কাজ করতে পারে। ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে পরবর্তী পরিকল্পনায় সেগুলো পূরণের সুযোগ রয়েছে।

এই মূল্যায়নের ফল থেকে পরিকল্পনার শক্তি ও দুর্বলতা—দুটোই চিহ্নিত করা যায়। স্বাস্থ্য উপকারিতা স্বীকারের ক্ষেত্রে পূর্ণ নম্বর পাওয়া একটি ইতিবাচক দিক। কিন্তু অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন তদারকিতে নম্বর না পাওয়া পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পরবর্তী পরিকল্পনায় এই দুটি ক্ষেত্রে উন্নতি হলে সামগ্রিক স্কোরও বাড়তে পারে। জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে অর্থায়ন ও তদারকি—দুটোই সমানভাবে জরুরি।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/bangladesh/environment/bangladesh-scores-13-out-32-global-climate-health-assessment-1578686