বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

সচিবালয় স্থানান্তরিত হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ সচিবালয় তার দীর্ঘদিনের ঠিকানা আব্দুল গণি রোড ছেড়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত হচ্ছে। নতুন সচিবালয় গড়ে উঠবে শেরেবাংলা নগরের সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠে। মন্ত্রিসভা এই স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

১৮ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি পাস হয়। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিদ্ধান্তটি সাংবাদিকদের জানান। দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রের ঠিকানা বদলের মতো বড় সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে তাঁর এই ব্রিফিং থেকেই।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরের নতুন প্রাঙ্গণ থেকে সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম শুরু হতে পারে ২০২৯ সালে। অর্থাৎ স্থানান্তরের জন্য হাতে থাকছে আরও কয়েক বছর, যার মধ্যে নতুন প্রাঙ্গণ প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আরেকটি বৈঠকে স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। সেই বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছিলেন। নীতিগত সম্মতির পর এবার মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মধ্য দিয়ে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সচিবালয়ে বসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নীতিনির্ধারণী কাজ পরিচালিত হয়। ফলে এর স্থানান্তর প্রশাসনিক কার্যক্রমের এক বড় পুনর্বিন্যাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে আব্দুল গণি রোডের বর্তমান প্রাঙ্গণ থেকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো পর্যায়ক্রমে শেরেবাংলা নগরের নতুন প্রাঙ্গণে উঠে যাবে।

নতুন ঠিকানার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে শেরেবাংলা নগরের সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠ। সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা দেখলে বোঝা যায়, বিষয়টি অনেক দিন ধরেই সরকারের বিবেচনায় ছিল—প্রথমে পৃথক বৈঠকে নীতিগত সম্মতি, তারপর মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন; দুটি ধাপ পেরিয়েই এল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এখন প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যাবে বাস্তবায়নের দিকে।

উল্লেখ্য, মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সচিবালয়েই, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব, যাঁর ব্রিফিং থেকেই স্থানান্তরের সময়সীমা হিসেবে ২০২৯ সালের কথা জানা যায়।

সূত্র: Prothom Alo

https://en.prothomalo.com/bangladesh/mqbffep126

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

সচিবালয় স্থানান্তরিত হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ সচিবালয় তার দীর্ঘদিনের ঠিকানা আব্দুল গণি রোড ছেড়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত হচ্ছে। নতুন সচিবালয় গড়ে উঠবে শেরেবাংলা নগরের সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠে। মন্ত্রিসভা এই স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

১৮ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি পাস হয়। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিদ্ধান্তটি সাংবাদিকদের জানান। দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রের ঠিকানা বদলের মতো বড় সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে তাঁর এই ব্রিফিং থেকেই।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরের নতুন প্রাঙ্গণ থেকে সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম শুরু হতে পারে ২০২৯ সালে। অর্থাৎ স্থানান্তরের জন্য হাতে থাকছে আরও কয়েক বছর, যার মধ্যে নতুন প্রাঙ্গণ প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আরেকটি বৈঠকে স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। সেই বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছিলেন। নীতিগত সম্মতির পর এবার মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মধ্য দিয়ে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সচিবালয়ে বসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নীতিনির্ধারণী কাজ পরিচালিত হয়। ফলে এর স্থানান্তর প্রশাসনিক কার্যক্রমের এক বড় পুনর্বিন্যাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে আব্দুল গণি রোডের বর্তমান প্রাঙ্গণ থেকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো পর্যায়ক্রমে শেরেবাংলা নগরের নতুন প্রাঙ্গণে উঠে যাবে।

নতুন ঠিকানার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে শেরেবাংলা নগরের সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠ। সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা দেখলে বোঝা যায়, বিষয়টি অনেক দিন ধরেই সরকারের বিবেচনায় ছিল—প্রথমে পৃথক বৈঠকে নীতিগত সম্মতি, তারপর মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন; দুটি ধাপ পেরিয়েই এল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এখন প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যাবে বাস্তবায়নের দিকে।

উল্লেখ্য, মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সচিবালয়েই, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব, যাঁর ব্রিফিং থেকেই স্থানান্তরের সময়সীমা হিসেবে ২০২৯ সালের কথা জানা যায়।

সূত্র: Prothom Alo

https://en.prothomalo.com/bangladesh/mqbffep126