হেফাজতের তত্ত্বাবধানে জোটের পথে সাতটি কওমি ধারার দল
- আপডেট সময় : ১২:৩০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
কওমি মাদ্রাসা ধারার সাতটি ইসলামি দল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একসঙ্গে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। ২২ অক্টোবর রাজধানীর খিলগাঁওয়ের একটি মাদ্রাসায় দলগুলোর লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এই আলোচনা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলে এই বৈঠক।
আলোচনায় থাকা দলগুলো হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। নেতারা জানিয়েছেন, দলগুলো আলাদা পরিচয় বজায় রেখে ‘সমমনা ইসলামি দল’ নামের অভিন্ন ব্যানারে কাজ করবে।
বৈঠকে জোটের রূপরেখা নিয়ে প্রাথমিক মতবিনিময় হয়। কোন আসনে কোন দল প্রার্থী দেবে, কীভাবে যৌথ প্রচার চলবে—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে একসঙ্গে পথ চলার ব্যাপারে নেতাদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে।
জোটের নীতি ও কর্মপদ্ধতি চূড়ান্ত করতে পরবর্তী বৈঠক বসবে ৫ ডিসেম্বর। এর মধ্যে দলগুলোর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলবে বলে জানানো হয়েছে। হেফাজতের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
দলগুলো আলাদা পরিচয় বজায় রাখবে—এই সিদ্ধান্তটি তাৎপর্যপূর্ণ। এর অর্থ, জোট হলেও প্রতিটি দল নিজস্ব নাম, প্রতীক ও সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখবে। শুধু নির্বাচনী মাঠে তারা ‘সমমনা ইসলামি দল’ ব্যানারে একসঙ্গে কাজ করবে। এই মডেলে ছোট দলগুলোর স্বাতন্ত্র্য রক্ষা পায়, আবার ভোট ভাগাভাগি এড়িয়ে একক প্রার্থীর পেছনে শক্তি কেন্দ্রীভূত করা যায়।
৫ ডিসেম্বরের বৈঠকের আগে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলবে। সেই আলোচনায় জোটের নীতি, প্রার্থী বাছাইয়ের পদ্ধতি ও যৌথ প্রচারের রূপরেখা নিয়ে কথা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সমমনা দলগুলোর এই ঐক্য-প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই এখন নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান।
সূত্র: Prothom Alo
https://en.prothomalo.com/bangladesh/politics/xoyixwer7t


























