বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এ ধরনের অসুস্থতায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন এক হাজার ২১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এক দিনের এই নতুন মৃত্যুর খবর আবারও শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৩ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৩৫ শিশু। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ২৫ জনের। বাকি শিশুরা হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।

অধিদপ্তরের হিসাবে, সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা দুই লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জন। এই সংখ্যা প্রাদুর্ভাবের বিস্তৃতির একটি চিত্র দেয়। হাসপাতালে ভর্তি ও ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর হিসাবও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপের ধারণাও সেখান থেকে পাওয়া যায়।

হাম একটি সংক্রামক রোগ হিসেবে পরিচিত। উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাধারণভাবে বলে থাকেন। শিশুদের ক্ষেত্রে পরিবারের সতর্কতা এখানে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সময়মতো চিকিৎসা না পেলে জটিলতা বাড়তে পারে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টরা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে পারবেন। শিশুদের সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

এই প্রাদুর্ভাবের সময় শিশুদের স্বাস্থ্যের দিকে পরিবারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। শিশুর অসুস্থতার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। হাসপাতালে ভর্তি ও ছাড়পত্রের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা হলে পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ হয়। অভিভাবকদের উচিত শিশুর অসুস্থতার লক্ষণগুলো খেয়াল রাখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা। সবার সচেতনতাই শিশুদের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: রাইজিংবিডি

https://www.risingbd.com/health/news/667742

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এ ধরনের অসুস্থতায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন এক হাজার ২১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এক দিনের এই নতুন মৃত্যুর খবর আবারও শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৩ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৩৫ শিশু। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ২৫ জনের। বাকি শিশুরা হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।

অধিদপ্তরের হিসাবে, সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা দুই লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জন। এই সংখ্যা প্রাদুর্ভাবের বিস্তৃতির একটি চিত্র দেয়। হাসপাতালে ভর্তি ও ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর হিসাবও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপের ধারণাও সেখান থেকে পাওয়া যায়।

হাম একটি সংক্রামক রোগ হিসেবে পরিচিত। উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাধারণভাবে বলে থাকেন। শিশুদের ক্ষেত্রে পরিবারের সতর্কতা এখানে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সময়মতো চিকিৎসা না পেলে জটিলতা বাড়তে পারে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টরা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে পারবেন। শিশুদের সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

এই প্রাদুর্ভাবের সময় শিশুদের স্বাস্থ্যের দিকে পরিবারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। শিশুর অসুস্থতার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। হাসপাতালে ভর্তি ও ছাড়পত্রের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা হলে পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ হয়। অভিভাবকদের উচিত শিশুর অসুস্থতার লক্ষণগুলো খেয়াল রাখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা। সবার সচেতনতাই শিশুদের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: রাইজিংবিডি

https://www.risingbd.com/health/news/667742