বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

ধর্ম নয়, নাগরিকত্বই দেশ গড়ার ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশ গড়ার কাজে মানুষকে এক করার ভিত্তি ধর্ম বা জাতিগত পরিচয় নয়, নাগরিকত্ব হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর ভাষায়, সবার বড় পরিচয় বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া, আর দেশের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সমান।

১৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানী এলাকার দুর্গাপূজা মণ্ডপে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলুকে উদ্ধৃত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—দেশকে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁরা সবাই সেই সংগ্রামে ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্বাধীনতার সেই অভিজ্ঞতাকেই তিনি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফেরানোর আন্দোলনেও ধর্ম কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের সার কথা হলো—ধর্ম বা জাতিগত পরিচয় যার যেটাই হোক, দেশ গড়ার কাজে সবাইকে এক সারিতে দাঁড় করানোর মাপকাঠি হতে হবে নাগরিকত্ব।

পূজামণ্ডপে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকত্ব-ভিত্তিক ঐক্যের এই বার্তাটিই আবার সামনে আনলেন। তাঁর এই অবস্থান ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে জাতীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার ধারাবাহিক বার্তারই অংশ, যা তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে যুক্ত করে তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য এসেছে পূজামণ্ডপে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মঞ্চ থেকে, যেখানে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। একটি ধর্মীয় উৎসবের আঙিনা থেকে নাগরিকত্বের সার্বজনীন বার্তা দেওয়ায় বক্তব্যটি আলাদা তাৎপর্য পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ওপর প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান—মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান, ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক না কেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন পর্যন্ত জাতীয় জীবনের প্রতিটি সংগ্রামে সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে ছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর নাগরিকত্ব-ভিত্তিক ঐক্য—দুটি বিষয়ই তাঁর বক্তব্যে একসূত্রে গাঁথা ছিল।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/bangladesh/citizenship-not-religion-should-guide-nation-building-pm-1577001

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

ধর্ম নয়, নাগরিকত্বই দেশ গড়ার ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

দেশ গড়ার কাজে মানুষকে এক করার ভিত্তি ধর্ম বা জাতিগত পরিচয় নয়, নাগরিকত্ব হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর ভাষায়, সবার বড় পরিচয় বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া, আর দেশের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সমান।

১৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানী এলাকার দুর্গাপূজা মণ্ডপে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলুকে উদ্ধৃত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—দেশকে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁরা সবাই সেই সংগ্রামে ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্বাধীনতার সেই অভিজ্ঞতাকেই তিনি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফেরানোর আন্দোলনেও ধর্ম কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের সার কথা হলো—ধর্ম বা জাতিগত পরিচয় যার যেটাই হোক, দেশ গড়ার কাজে সবাইকে এক সারিতে দাঁড় করানোর মাপকাঠি হতে হবে নাগরিকত্ব।

পূজামণ্ডপে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকত্ব-ভিত্তিক ঐক্যের এই বার্তাটিই আবার সামনে আনলেন। তাঁর এই অবস্থান ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে জাতীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার ধারাবাহিক বার্তারই অংশ, যা তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে যুক্ত করে তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য এসেছে পূজামণ্ডপে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মঞ্চ থেকে, যেখানে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। একটি ধর্মীয় উৎসবের আঙিনা থেকে নাগরিকত্বের সার্বজনীন বার্তা দেওয়ায় বক্তব্যটি আলাদা তাৎপর্য পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ওপর প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান—মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান, ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক না কেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন পর্যন্ত জাতীয় জীবনের প্রতিটি সংগ্রামে সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে ছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর নাগরিকত্ব-ভিত্তিক ঐক্য—দুটি বিষয়ই তাঁর বক্তব্যে একসূত্রে গাঁথা ছিল।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/bangladesh/citizenship-not-religion-should-guide-nation-building-pm-1577001