বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

মে মাসে ১২ কেজি এলপিজির দাম ১,৯৪০ টাকা অপরিবর্তিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ২২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মে মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। রোববার, ৩ মে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে। রান্নার গ্যাসের বাজারে টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর মে মাসে দাম না বাড়ার সিদ্ধান্ত ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে।

দুই দফা বাড়ার পর এবার দাম স্থির

বিইআরসি জানিয়েছে, মে মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের দাম প্রতি কেজি মূসকসহ ১৬১ টাকা ৭১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই হিসাবেই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪০ টাকা, যা আগের নির্ধারিত দামের সমান।

এর আগে এপ্রিল মাসে এলপিজির দাম দুইবার সমন্বয় করা হয়। ২ এপ্রিল ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে ১৯ এপ্রিল আরও ২১২ টাকা বাড়িয়ে একই সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা করা হয়।

অটোগ্যাসে সামান্য বৃদ্ধি

এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও মে মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম সামান্য বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের দামের চেয়ে ২ পয়সা বেশি।

এর আগে এপ্রিলেও অটোগ্যাসের দাম দুই দফায় সমন্বয় করা হয়েছিল। ২ এপ্রিল দাম বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা করা হয়। পরে ১৯ এপ্রিল আরও বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করে বিইআরসি।

পরিবারের খরচে কিছুটা স্বস্তি

দেশের বহু পরিবার এখন রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস নেই, সেখানে ১২ কেজির সিলিন্ডারই অনেক পরিবারের মাসিক খরচের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এপ্রিলের দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর মে মাসে দাম না বাড়ানোয় পরিবারগুলোর ওপর নতুন করে চাপ না বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তবে দাম এখনো উচ্চ পর্যায়ে থাকায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য রান্নার খরচ বড় উদ্বেগ হিসেবেই থাকছে। বাজারে নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যায় কি না, সেটিও ভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

নির্ধারিত দামের বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ

বিইআরসি নিয়মিতভাবে এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে অনেক সময় ভোক্তারা ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কেনার অভিযোগ করেন। তাই শুধু দাম ঘোষণা নয়, বাজারে সেই দাম কার্যকর হচ্ছে কি না—তা নজরদারির বিষয়।

ভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নির্ধারিত দামের বেশি দাবি করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো। আর ব্যবসায়ীদের জন্য বিইআরসির নির্ধারিত মূল্য মেনে বিক্রি করাই আইনগত ও নৈতিকভাবে সঠিক পথ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

মে মাসে ১২ কেজি এলপিজির দাম ১,৯৪০ টাকা অপরিবর্তিত

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

মে মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। রোববার, ৩ মে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে। রান্নার গ্যাসের বাজারে টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর মে মাসে দাম না বাড়ার সিদ্ধান্ত ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে।

দুই দফা বাড়ার পর এবার দাম স্থির

বিইআরসি জানিয়েছে, মে মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের দাম প্রতি কেজি মূসকসহ ১৬১ টাকা ৭১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই হিসাবেই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪০ টাকা, যা আগের নির্ধারিত দামের সমান।

এর আগে এপ্রিল মাসে এলপিজির দাম দুইবার সমন্বয় করা হয়। ২ এপ্রিল ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে ১৯ এপ্রিল আরও ২১২ টাকা বাড়িয়ে একই সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা করা হয়।

অটোগ্যাসে সামান্য বৃদ্ধি

এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও মে মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম সামান্য বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের দামের চেয়ে ২ পয়সা বেশি।

এর আগে এপ্রিলেও অটোগ্যাসের দাম দুই দফায় সমন্বয় করা হয়েছিল। ২ এপ্রিল দাম বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা করা হয়। পরে ১৯ এপ্রিল আরও বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করে বিইআরসি।

পরিবারের খরচে কিছুটা স্বস্তি

দেশের বহু পরিবার এখন রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস নেই, সেখানে ১২ কেজির সিলিন্ডারই অনেক পরিবারের মাসিক খরচের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এপ্রিলের দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর মে মাসে দাম না বাড়ানোয় পরিবারগুলোর ওপর নতুন করে চাপ না বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তবে দাম এখনো উচ্চ পর্যায়ে থাকায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য রান্নার খরচ বড় উদ্বেগ হিসেবেই থাকছে। বাজারে নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যায় কি না, সেটিও ভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

নির্ধারিত দামের বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ

বিইআরসি নিয়মিতভাবে এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে অনেক সময় ভোক্তারা ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কেনার অভিযোগ করেন। তাই শুধু দাম ঘোষণা নয়, বাজারে সেই দাম কার্যকর হচ্ছে কি না—তা নজরদারির বিষয়।

ভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নির্ধারিত দামের বেশি দাবি করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো। আর ব্যবসায়ীদের জন্য বিইআরসির নির্ধারিত মূল্য মেনে বিক্রি করাই আইনগত ও নৈতিকভাবে সঠিক পথ।