বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

মানব পাচারের অভিযোগে প্রথমবার বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অবৈধভাবে মানব পাচারের অভিযোগে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানটির নাম ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের যুক্তরাজ্যে থাকা সম্ভাব্য সম্পদ জব্দের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও অভিবাসন খাত নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

গত ৫ মে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশ করে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্র্যাফিকিং ইন পারসন্স স্যাংশনস রেগুলেশনস ২০২৫’-এর আওতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক উপায়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিল। পরে এসব ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে শোষণের অভিযোগও পাওয়া যায়।

প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগ

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড বাংলাদেশি নাগরিকদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়োগ দিত। এরপর বিদেশে নিয়ে গিয়ে তাদের অনিরাপদ ও শোষণমূলক পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়া হতো বলে অভিযোগ উঠেছে।

যুক্তরাজ্য সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানব পাচারবিরোধী নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা

বিশ্লেষকদের মতে, মানব পাচার ও অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে যুক্তরাজ্য এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে। বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথমবার এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘটনায় আন্তর্জাতিকভাবে শক্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বিদেশগামী কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশেও নজরদারি আরও জোরদারের দাবি উঠতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

মানব পাচারের অভিযোগে প্রথমবার বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

অবৈধভাবে মানব পাচারের অভিযোগে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানটির নাম ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের যুক্তরাজ্যে থাকা সম্ভাব্য সম্পদ জব্দের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও অভিবাসন খাত নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

গত ৫ মে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশ করে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্র্যাফিকিং ইন পারসন্স স্যাংশনস রেগুলেশনস ২০২৫’-এর আওতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক উপায়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিল। পরে এসব ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে শোষণের অভিযোগও পাওয়া যায়।

প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগ

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড বাংলাদেশি নাগরিকদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়োগ দিত। এরপর বিদেশে নিয়ে গিয়ে তাদের অনিরাপদ ও শোষণমূলক পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়া হতো বলে অভিযোগ উঠেছে।

যুক্তরাজ্য সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানব পাচারবিরোধী নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা

বিশ্লেষকদের মতে, মানব পাচার ও অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে যুক্তরাজ্য এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে। বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথমবার এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘটনায় আন্তর্জাতিকভাবে শক্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বিদেশগামী কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশেও নজরদারি আরও জোরদারের দাবি উঠতে পারে।