বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

মোংলা বন্দর, সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২২ অক্টোবর দিনব্যাপী সফরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গিয়ে মোংলা বন্দর, সুন্দরবন ও বাগেরহাটে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গা পরিদর্শন করেন। সকাল ৯টার দিকে হেলিকপ্টারে ঢাকা ছেড়ে তিনি হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন অংশ আকাশ থেকে দেখেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর হেলিকপ্টার খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নামে। সেখান থেকে নৌপথে তিনি বাগেরহাটের বিএনএস মোংলায় পৌঁছে নৌবাহিনী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। বৈঠকের পর তিনি মোংলা বন্দরের জেটি সুবিধা ও কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো ও এর ব্যবহার আরও কার্যকর করার বিষয়গুলো পরিদর্শনের সময় আলোচনায় আসে।

সফরের দিনলিপিটা ছিল ঠাসা। সকাল ৯টায় ঢাকা ছেড়ে আকাশ থেকে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট দেখা, সাড়ে ১০টায় দাকোপের নলিয়ান স্কুল মাঠে নামা, তারপর নৌপথে বিএনএস মোংলা, সেখানে নৌবাহিনী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক, মোংলা বন্দরের জেটি ঘুরে দেখা, সবশেষে বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন। পরে তিনি বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকা পরিদর্শন করেন। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই অঞ্চলের ভূমিকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বিকেল ৫টার দিকে ঢাকায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

মোংলা বন্দর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। বন্দরের জেটি সুবিধা ও কার্যক্রম সরেজমিনে দেখার মধ্য দিয়ে এর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা দুটোই সামনে এসেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়েই কথা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুন্দরবনের আকাশপথে পরিদর্শন ও বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘুরে দেখাও সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। একদিনের এই সফরে বন্দর, বন ও অর্থনৈতিক অঞ্চল—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খাতই ঘুরে দেখা হলো। সফরের ফলোআপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর থাকবে।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/bangladesh/pm-inspects-mongla-port-sundarbans-proposed-economic-zone-1580566

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

মোংলা বন্দর, সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৩১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২২ অক্টোবর দিনব্যাপী সফরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গিয়ে মোংলা বন্দর, সুন্দরবন ও বাগেরহাটে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গা পরিদর্শন করেন। সকাল ৯টার দিকে হেলিকপ্টারে ঢাকা ছেড়ে তিনি হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন অংশ আকাশ থেকে দেখেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর হেলিকপ্টার খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নামে। সেখান থেকে নৌপথে তিনি বাগেরহাটের বিএনএস মোংলায় পৌঁছে নৌবাহিনী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। বৈঠকের পর তিনি মোংলা বন্দরের জেটি সুবিধা ও কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো ও এর ব্যবহার আরও কার্যকর করার বিষয়গুলো পরিদর্শনের সময় আলোচনায় আসে।

সফরের দিনলিপিটা ছিল ঠাসা। সকাল ৯টায় ঢাকা ছেড়ে আকাশ থেকে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট দেখা, সাড়ে ১০টায় দাকোপের নলিয়ান স্কুল মাঠে নামা, তারপর নৌপথে বিএনএস মোংলা, সেখানে নৌবাহিনী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক, মোংলা বন্দরের জেটি ঘুরে দেখা, সবশেষে বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন। পরে তিনি বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকা পরিদর্শন করেন। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই অঞ্চলের ভূমিকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বিকেল ৫টার দিকে ঢাকায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

মোংলা বন্দর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। বন্দরের জেটি সুবিধা ও কার্যক্রম সরেজমিনে দেখার মধ্য দিয়ে এর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা দুটোই সামনে এসেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়েই কথা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুন্দরবনের আকাশপথে পরিদর্শন ও বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘুরে দেখাও সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। একদিনের এই সফরে বন্দর, বন ও অর্থনৈতিক অঞ্চল—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খাতই ঘুরে দেখা হলো। সফরের ফলোআপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর থাকবে।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/bangladesh/pm-inspects-mongla-port-sundarbans-proposed-economic-zone-1580566