বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

৭০ হাজার টন ইউরিয়া ও ২০ হাজার টন ফসফরিক অ্যাসিড কেনার অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউরিয়া সার ও ফসফরিক অ্যাসিড কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ১৯ অক্টোবর সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ২০ অক্টোবর।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) থেকে কেনা হবে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে আসবে আরও ৪০ হাজার টন ইউরিয়া, এতে ব্যয় হবে প্রায় ২১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। দুটি চালান মিলে মোট ইউরিয়া কেনা হচ্ছে ৭০ হাজার টন।

ডিএপি সার তৈরির কাঁচামাল হিসেবে মরক্কো থেকে ২০ হাজার টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির প্রস্তাবও সভায় অনুমোদন পেয়েছে। এই কেনায় ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা। ডিএপি সারের উৎপাদনে এই কাঁচামাল অপরিহার্য, ফলে দেশের সারশিল্পের জন্য এই আমদানি গুরুত্বপূর্ণ।

পুরো ক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি)। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ক্রয় সম্পন্ন করে সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করার দায়িত্ব এখন সংস্থাটির ওপর।

কৃষি মৌসুমে সারের চাহিদা মেটাতে এই ক্রয় সময়োপযোগী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের কৃষকদের কাছে নিরবচ্ছিন্নভাবে সার পৌঁছে দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। অনুমোদিত এই ক্রয় সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।

কাফকো দেশীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সরবরাহে বড় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সৌদি আরব ও মরক্কো থেকে আমদানির মাধ্যমে সরবরাহের বৈচিত্র্য নিশ্চিত হচ্ছে, যা একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাবে।

অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং কৃষকদের কাছে সারের সরবরাহ নির্বিঘ্ন থাকবে। এর সুফল সরাসরি পৌঁছাবে কৃষি উৎপাদনে ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে।

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মৌসুমের আগে এই ক্রয় অনুমোদন কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর। সময়মতো সার পৌঁছালে ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।

সূত্র: The Business Standard (Bangla)

https://www.tbsnews.net/bangla/bangladesh/news-details-554641

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

৭০ হাজার টন ইউরিয়া ও ২০ হাজার টন ফসফরিক অ্যাসিড কেনার অনুমোদন

আপডেট সময় : ০২:৪০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউরিয়া সার ও ফসফরিক অ্যাসিড কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ১৯ অক্টোবর সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ২০ অক্টোবর।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) থেকে কেনা হবে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে আসবে আরও ৪০ হাজার টন ইউরিয়া, এতে ব্যয় হবে প্রায় ২১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। দুটি চালান মিলে মোট ইউরিয়া কেনা হচ্ছে ৭০ হাজার টন।

ডিএপি সার তৈরির কাঁচামাল হিসেবে মরক্কো থেকে ২০ হাজার টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির প্রস্তাবও সভায় অনুমোদন পেয়েছে। এই কেনায় ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা। ডিএপি সারের উৎপাদনে এই কাঁচামাল অপরিহার্য, ফলে দেশের সারশিল্পের জন্য এই আমদানি গুরুত্বপূর্ণ।

পুরো ক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি)। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ক্রয় সম্পন্ন করে সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করার দায়িত্ব এখন সংস্থাটির ওপর।

কৃষি মৌসুমে সারের চাহিদা মেটাতে এই ক্রয় সময়োপযোগী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের কৃষকদের কাছে নিরবচ্ছিন্নভাবে সার পৌঁছে দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। অনুমোদিত এই ক্রয় সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।

কাফকো দেশীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সরবরাহে বড় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সৌদি আরব ও মরক্কো থেকে আমদানির মাধ্যমে সরবরাহের বৈচিত্র্য নিশ্চিত হচ্ছে, যা একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাবে।

অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং কৃষকদের কাছে সারের সরবরাহ নির্বিঘ্ন থাকবে। এর সুফল সরাসরি পৌঁছাবে কৃষি উৎপাদনে ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে।

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মৌসুমের আগে এই ক্রয় অনুমোদন কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর। সময়মতো সার পৌঁছালে ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।

সূত্র: The Business Standard (Bangla)

https://www.tbsnews.net/bangla/bangladesh/news-details-554641