ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাক উল্টে তীব্র যানজট
- আপডেট সময় : ০৮:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে চট্টগ্রামমুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ভোর থেকে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া পয়েন্ট থেকে মেঘনা সেতু এলাকা পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী, চালক ও পণ্যবাহী পরিবহন শ্রমিকরা ভোগান্তিতে পড়েন।
ভোরে ভিটিকান্দি এলাকায় ট্রাক উল্টে যায়
গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দ জানান, ভোরে চট্টগ্রামমুখী লেনের ভিটিকান্দি এলাকায় একটি পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর সড়কে পণ্য ছড়িয়ে পড়ায় যান চলাচলে ধীরগতি তৈরি হয়। পরে সেই ধীরগতি ভবেরচর থেকে মেঘনা সেতু এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। সড়ক থেকে পণ্য সরানো এবং দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক অপসারণের কাজ শুরু করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, কাজ শেষ হলে অল্প সময়ের মধ্যেই যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
বাউশিয়া থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত গাড়ির চাপ
শনিবার ভোরের পর সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামমুখী লেনে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। বাউশিয়া পয়েন্ট থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পণ্যবাহী ট্রাক, বাস, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহন ধীরগতিতে চলতে থাকে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত রুট। এ পথে সামান্য দুর্ঘটনাও দ্রুত বড় যানজটে রূপ নেয়। বিশেষ করে মেঘনা সেতু ও গজারিয়া অংশে যান চলাচলের চাপ বেশি থাকায় দুর্ঘটনার প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভোগান্তিতে যাত্রী ও চালকরা
দীর্ঘ যানজটে আটকে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। চট্টগ্রামমুখী যাত্রীদের অনেকের গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। পণ্যবাহী পরিবহনেও সময়ের চাপ তৈরি হয়। মহাসড়কে গাড়ি থেমে থেমে চলায় চালকদেরও ভোগান্তি বেড়ে যায়।
তবে হাইওয়ে পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরিয়ে নেওয়া এবং সড়কে ছড়িয়ে পড়া পণ্য অপসারণের কাজ চলছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে।
দুর্ঘটনা সরলেই স্বাভাবিক হবে যান চলাচল
ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দ বলেন, সড়ক থেকে পণ্য অপসারণ ও দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
গজারিয়া অংশে এই যানজট আবারও মনে করিয়ে দিল—ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটে দুর্ঘটনা ঘটলে তার প্রভাব শুধু একটি স্থানে সীমাবদ্ধ থাকে না। দ্রুত উদ্ধার, সড়ক ব্যবস্থাপনা এবং ভারী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই এখানে সবচেয়ে জরুরি।










