বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

জাপানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরে দেশটির কাছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজ প্রস্তাব করার প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনের বরাতে ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জাপানি মুদ্রায় এই প্যাকেজের আকার ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইয়েন।

প্রস্তাবটি ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদের জন্য সাজানো হয়েছে এবং এতে অগ্রাধিকারের খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ১২টি ক্ষেত্র। অর্থায়নের কাঠামোয় থাকবে সহজ শর্তের ঋণ, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি)। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় এসব অর্থায়ন কাজে লাগানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

প্রস্তাবের মধ্যে পরিবহন ও নগর যোগাযোগ খাতের জন্য রাখা হয়েছে প্রায় ৩৪৫ কোটি ডলার। এই অংশে রয়েছে মেট্রোরেলের সম্প্রসারণ, রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা। রাজধানী ও আশপাশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই খাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার। ইআরডির হিসাবে, ১৯৭১ সালের পর থেকে জাপান বাংলাদেশকে ৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন এই প্রস্তাবকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের আরেকটি বড় অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মেট্রোরেল সম্প্রসারণসহ নগর পরিবহনের বড় প্রকল্পগুলোতে জাপানি সহায়তার ধারাবাহিকতা আগেও দেখা গেছে। এবারের প্যাকেজে পরিবহন খাতের জন্য বরাদ্দ সেই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রেল উন্নয়ন ও বড় সেতুর পরিকল্পনাও এই কাঠামোর আওতায় আসবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে প্রস্তাবের বিস্তারিত তুলে ধরার প্রস্তুতি চলছে। বিনিয়োগ ও সহযোগিতার এই প্যাকেজ চূড়ান্ত হলে অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের আর্থিক সুযোগ তৈরি হবে। সফরের পর আলোচনার অগ্রগতি অনুযায়ী প্যাকেজের চূড়ান্ত রূপরেখা জানা যাবে।

দীর্ঘমেয়াদি এই অর্থায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের পরিবহন ও নগর অবকাঠামোতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি বাড়বে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও জোরদার হবে।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/foreign-policy/transport-tech-energy-bangladesh-seek-14b-investment-japan-during-pms-visit-1575021

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

জাপানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরে দেশটির কাছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজ প্রস্তাব করার প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনের বরাতে ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জাপানি মুদ্রায় এই প্যাকেজের আকার ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইয়েন।

প্রস্তাবটি ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদের জন্য সাজানো হয়েছে এবং এতে অগ্রাধিকারের খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ১২টি ক্ষেত্র। অর্থায়নের কাঠামোয় থাকবে সহজ শর্তের ঋণ, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি)। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় এসব অর্থায়ন কাজে লাগানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

প্রস্তাবের মধ্যে পরিবহন ও নগর যোগাযোগ খাতের জন্য রাখা হয়েছে প্রায় ৩৪৫ কোটি ডলার। এই অংশে রয়েছে মেট্রোরেলের সম্প্রসারণ, রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা। রাজধানী ও আশপাশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই খাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার। ইআরডির হিসাবে, ১৯৭১ সালের পর থেকে জাপান বাংলাদেশকে ৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন এই প্রস্তাবকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের আরেকটি বড় অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মেট্রোরেল সম্প্রসারণসহ নগর পরিবহনের বড় প্রকল্পগুলোতে জাপানি সহায়তার ধারাবাহিকতা আগেও দেখা গেছে। এবারের প্যাকেজে পরিবহন খাতের জন্য বরাদ্দ সেই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রেল উন্নয়ন ও বড় সেতুর পরিকল্পনাও এই কাঠামোর আওতায় আসবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে প্রস্তাবের বিস্তারিত তুলে ধরার প্রস্তুতি চলছে। বিনিয়োগ ও সহযোগিতার এই প্যাকেজ চূড়ান্ত হলে অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের আর্থিক সুযোগ তৈরি হবে। সফরের পর আলোচনার অগ্রগতি অনুযায়ী প্যাকেজের চূড়ান্ত রূপরেখা জানা যাবে।

দীর্ঘমেয়াদি এই অর্থায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের পরিবহন ও নগর অবকাঠামোতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি বাড়বে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও জোরদার হবে।

সূত্র: The Business Standard

https://www.tbsnews.net/foreign-policy/transport-tech-energy-bangladesh-seek-14b-investment-japan-during-pms-visit-1575021