উপসাগরীয় রপ্তানি ফিরলেও তেলের দামের ঝুঁকি ঊর্ধ্বমুখী: সিটি
- আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
উপসাগরীয় অপরিশোধিত তেলের রপ্তানি ঘুরে দাঁড়ালেও স্বল্পমেয়াদে তেলের দামের ঝুঁকি ঊর্ধ্বমুখী বলেই মনে করছে সিটি। জাহাজ চলাচলের জটিলতায় সরবরাহ করা তেলের খরচ বেশি থাকছে বলে ব্যাংকটি জানিয়েছে।
সেপ্টেম্বরে ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি উপসাগরীয় তেল জাহাজ থেকে জাহাজে স্থানান্তর করে পাঠানো হয়েছে, যা আঞ্চলিক প্রবাহের প্রায় ৭.৫ শতাংশ। জাহাজ চলাচলের জটিলতার কারণে সরাসরি পথের বদলে এই বিকল্প পদ্ধতিতে তেল পাঠাতে হচ্ছে।
ইরান বাদে উপসাগরীয় তেল প্রবাহ সেপ্টেম্বরে যুদ্ধপূর্ব মাত্রার ৮১ শতাংশের বেশি ফিরেছে। মার্কিন অবরোধের জেরে ইরানের রপ্তানি কার্যত শূন্যে নেমেছে বলে সিটি জানিয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহের চিত্র এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
উপসাগর-চীন রুটে বড় ট্যাংকারের ভাড়া সম্প্রতি ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৩৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত দশকের গড়ের ২০ গুণের বেশি। এই বাড়তি পরিবহন খরচ শেষ পর্যন্ত তেলের দামে চাপ সৃষ্টি করবে বলে সিটির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের এই প্রবণতা সরবরাহ শৃঙ্খলের জটিলতাকেই প্রতিফলিত করছে। স্বাভাবিক রুটে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এই বিকল্প পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এতে পরিবহন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি সরবরাহে বিলম্বের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকবে। আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য এই পরিস্থিতি জ্বালানি ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ট্যাংকার ভাড়া বাড়ায় আমদানিকারক দেশগুলোর জ্বালানি বিল বাড়ছে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগের।
ইরানের রপ্তানি শূন্যে নামায় বাজারে একটি উৎস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই শূন্যতা পূরণে অন্য উৎপাদকদের ওপর চাপ বাড়ছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদে দামের ঊর্ধ্বমুখী ঝুঁকি বজায় থাকবে বলে সিটির বিশ্লেষণে ইঙ্গিত মিলেছে।
জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও চ্যালেঞ্জ। তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ বেড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়।
সূত্র: Reuters
https://www.reuters.com/business/energy/citi-sees-oil-risks-skewed-upside-despite-recovery-gulf-exports-2026-10-22/





















