বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

ওয়ানডে অভিষেকের রাতেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে রিপোর্টেড আলিস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকের ম্যাচেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য রিপোর্টেড হয়েছেন স্পিনার আলিস আল ইসলাম। শারজাহতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ম্যাচ কর্মকর্তারা তাঁর অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। অভিষেকের রাতেই এমন খবর একজন তরুণ বোলারের জন্য নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। বাংলাদেশ ম্যাচটি ৭ উইকেটে হেরে যায়। মাঠের ফলের সঙ্গে এই রিপোর্ট মিলে দিনটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে আলিসের জন্য। এখন তাঁর সামনে অপেক্ষা করছে আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।

২৯ বছর বয়সী আলিস ওই ম্যাচে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৪৭ রান দেন। তিনি কোনো উইকেট পাননি। অভিষেক ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকার পর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহের খবর তাঁর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। আইসিসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে তাঁর বোলিং অ্যাকশনের স্বাধীন মূল্যায়ন হবে। সেই মূল্যায়নের ফলের ওপর নির্ভর করবে তাঁর ভবিষ্যৎ বোলিং। পরীক্ষায় অ্যাকশন বৈধ প্রমাণিত হলে তিনি নির্বিঘ্নে বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন।

এর আগেও বিপিএলে দুইবার রিপোর্টেড হয়েছিলেন আলিস। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে তাঁর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। ফলে এটি তাঁর জন্য প্রথম অভিজ্ঞতা নয়। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিষেকের ম্যাচে রিপোর্টেড হওয়া আলাদা গুরুত্ব বহন করে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানেন মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি কেমন হতে পারে। বোর্ড ও কোচিং স্টাফের সহায়তায় অ্যাকশন সংশোধনের কাজও এর আগে হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। এবারও সেই পথেই এগোতে হবে তাঁকে।

একজন স্পিনারের ক্যারিয়ারে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ সবসময়ই সংবেদনশীল বিষয়। সঠিক কারিগরি সংশোধন ও ধৈর্য ধরে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই এর সমাধান। আলিসের সামনে এখন লক্ষ্য হবে মূল্যায়নে ইতিবাচক ফল পাওয়া এবং মাঠে ফিরে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করা। বাংলাদেশ দলের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্পিন বিভাগে তাঁর মতো বিকল্প দরকার। সমর্থকেরা আশা করবেন, এই বাধা পেরিয়ে তিনি আবার জাতীয় দলের জার্সিতে বল হাতে মাঠে নামবেন। তাঁর পরের পদক্ষেপের দিকে এখন সবার নজর থাকবে।

সূত্র: যুগান্তর

https://www.jugantor.com/sports/1173042

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

ওয়ানডে অভিষেকের রাতেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে রিপোর্টেড আলিস

আপডেট সময় : ০৮:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকের ম্যাচেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য রিপোর্টেড হয়েছেন স্পিনার আলিস আল ইসলাম। শারজাহতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ম্যাচ কর্মকর্তারা তাঁর অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। অভিষেকের রাতেই এমন খবর একজন তরুণ বোলারের জন্য নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। বাংলাদেশ ম্যাচটি ৭ উইকেটে হেরে যায়। মাঠের ফলের সঙ্গে এই রিপোর্ট মিলে দিনটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে আলিসের জন্য। এখন তাঁর সামনে অপেক্ষা করছে আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।

২৯ বছর বয়সী আলিস ওই ম্যাচে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৪৭ রান দেন। তিনি কোনো উইকেট পাননি। অভিষেক ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকার পর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহের খবর তাঁর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। আইসিসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে তাঁর বোলিং অ্যাকশনের স্বাধীন মূল্যায়ন হবে। সেই মূল্যায়নের ফলের ওপর নির্ভর করবে তাঁর ভবিষ্যৎ বোলিং। পরীক্ষায় অ্যাকশন বৈধ প্রমাণিত হলে তিনি নির্বিঘ্নে বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন।

এর আগেও বিপিএলে দুইবার রিপোর্টেড হয়েছিলেন আলিস। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে তাঁর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। ফলে এটি তাঁর জন্য প্রথম অভিজ্ঞতা নয়। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিষেকের ম্যাচে রিপোর্টেড হওয়া আলাদা গুরুত্ব বহন করে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানেন মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি কেমন হতে পারে। বোর্ড ও কোচিং স্টাফের সহায়তায় অ্যাকশন সংশোধনের কাজও এর আগে হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। এবারও সেই পথেই এগোতে হবে তাঁকে।

একজন স্পিনারের ক্যারিয়ারে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ সবসময়ই সংবেদনশীল বিষয়। সঠিক কারিগরি সংশোধন ও ধৈর্য ধরে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই এর সমাধান। আলিসের সামনে এখন লক্ষ্য হবে মূল্যায়নে ইতিবাচক ফল পাওয়া এবং মাঠে ফিরে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করা। বাংলাদেশ দলের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্পিন বিভাগে তাঁর মতো বিকল্প দরকার। সমর্থকেরা আশা করবেন, এই বাধা পেরিয়ে তিনি আবার জাতীয় দলের জার্সিতে বল হাতে মাঠে নামবেন। তাঁর পরের পদক্ষেপের দিকে এখন সবার নজর থাকবে।

সূত্র: যুগান্তর

https://www.jugantor.com/sports/1173042