ওয়ানডে অভিষেকের রাতেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে রিপোর্টেড আলিস
- আপডেট সময় : ০৮:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকের ম্যাচেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য রিপোর্টেড হয়েছেন স্পিনার আলিস আল ইসলাম। শারজাহতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ম্যাচ কর্মকর্তারা তাঁর অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। অভিষেকের রাতেই এমন খবর একজন তরুণ বোলারের জন্য নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। বাংলাদেশ ম্যাচটি ৭ উইকেটে হেরে যায়। মাঠের ফলের সঙ্গে এই রিপোর্ট মিলে দিনটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে আলিসের জন্য। এখন তাঁর সামনে অপেক্ষা করছে আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।
২৯ বছর বয়সী আলিস ওই ম্যাচে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৪৭ রান দেন। তিনি কোনো উইকেট পাননি। অভিষেক ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকার পর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহের খবর তাঁর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। আইসিসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে তাঁর বোলিং অ্যাকশনের স্বাধীন মূল্যায়ন হবে। সেই মূল্যায়নের ফলের ওপর নির্ভর করবে তাঁর ভবিষ্যৎ বোলিং। পরীক্ষায় অ্যাকশন বৈধ প্রমাণিত হলে তিনি নির্বিঘ্নে বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন।
এর আগেও বিপিএলে দুইবার রিপোর্টেড হয়েছিলেন আলিস। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে তাঁর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। ফলে এটি তাঁর জন্য প্রথম অভিজ্ঞতা নয়। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিষেকের ম্যাচে রিপোর্টেড হওয়া আলাদা গুরুত্ব বহন করে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানেন মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি কেমন হতে পারে। বোর্ড ও কোচিং স্টাফের সহায়তায় অ্যাকশন সংশোধনের কাজও এর আগে হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। এবারও সেই পথেই এগোতে হবে তাঁকে।
একজন স্পিনারের ক্যারিয়ারে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ সবসময়ই সংবেদনশীল বিষয়। সঠিক কারিগরি সংশোধন ও ধৈর্য ধরে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই এর সমাধান। আলিসের সামনে এখন লক্ষ্য হবে মূল্যায়নে ইতিবাচক ফল পাওয়া এবং মাঠে ফিরে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করা। বাংলাদেশ দলের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্পিন বিভাগে তাঁর মতো বিকল্প দরকার। সমর্থকেরা আশা করবেন, এই বাধা পেরিয়ে তিনি আবার জাতীয় দলের জার্সিতে বল হাতে মাঠে নামবেন। তাঁর পরের পদক্ষেপের দিকে এখন সবার নজর থাকবে।
সূত্র: যুগান্তর
https://www.jugantor.com/sports/1173042





















