বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে। জবাবে বাংলাদেশ ৩৩ দশমিক ৪ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয়ে যায়। বড় ব্যবধানের এই হার দিয়ে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় দল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় রান তাড়ার ছন্দ আর ফিরে আসেনি।

এই ম্যাচে বাংলাদেশের ১৮তম ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয় তাওহীদ হৃদয়ের। নতুন অধিনায়কের জন্য শুরুটা সুখকর হয়নি। তবে দলের ভেতরে চোটের সমস্যাও ছিল বড় বাধা। চোটের কারণে ছিটকে যান লিটন দাস। তাঁর বদলি হিসেবে ডাক পান পারভেজ হোসেন ইমন। জ্বরের কারণে খেলতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি দলের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে। ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই তাঁদের অভাব টের পাওয়া যায়।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য আশা জাগিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তিনি ব্রায়ান বেনেটকে শূন্য রানে ফেরান। কিন্তু এরপর জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা ঘুরে দাঁড়ান। তাঁরা ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ে তোলেন এবং শেষ পর্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করান। ২৭২ রানের লক্ষ্য আবুধাবির উইকেটে সহজ ছিল না। তবু বাংলাদেশের ব্যাটারদের কাছ থেকে আরও লড়াকু জবাব আশা করেছিলেন সমর্থকেরা। বড় জুটি গড়তে না পারায় লক্ষ্যের কাছাকাছিও যাওয়া যায়নি।

সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা ফেরাতে হবে বাংলাদেশকে। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট ধরে রেখে রান তোলার কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। বোলিংয়ে শুরুর সাফল্য ধরে রাখার পাশাপাশি শেষের ওভারগুলোতে রান আটকানোও জরুরি। প্রথম ম্যাচের হার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে আরও গোছানো ক্রিকেট খেলার প্রত্যাশা থাকবে। সমর্থকেরাও চাইবেন দল দ্রুত ছন্দে ফিরুক। সিরিজে টিকে থাকতে পরের ম্যাচটি তাই বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আজকের বসুন্ধরা

আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে। জবাবে বাংলাদেশ ৩৩ দশমিক ৪ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয়ে যায়। বড় ব্যবধানের এই হার দিয়ে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় দল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় রান তাড়ার ছন্দ আর ফিরে আসেনি।

এই ম্যাচে বাংলাদেশের ১৮তম ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয় তাওহীদ হৃদয়ের। নতুন অধিনায়কের জন্য শুরুটা সুখকর হয়নি। তবে দলের ভেতরে চোটের সমস্যাও ছিল বড় বাধা। চোটের কারণে ছিটকে যান লিটন দাস। তাঁর বদলি হিসেবে ডাক পান পারভেজ হোসেন ইমন। জ্বরের কারণে খেলতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি দলের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে। ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই তাঁদের অভাব টের পাওয়া যায়।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য আশা জাগিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তিনি ব্রায়ান বেনেটকে শূন্য রানে ফেরান। কিন্তু এরপর জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা ঘুরে দাঁড়ান। তাঁরা ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ে তোলেন এবং শেষ পর্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করান। ২৭২ রানের লক্ষ্য আবুধাবির উইকেটে সহজ ছিল না। তবু বাংলাদেশের ব্যাটারদের কাছ থেকে আরও লড়াকু জবাব আশা করেছিলেন সমর্থকেরা। বড় জুটি গড়তে না পারায় লক্ষ্যের কাছাকাছিও যাওয়া যায়নি।

সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা ফেরাতে হবে বাংলাদেশকে। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট ধরে রেখে রান তোলার কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। বোলিংয়ে শুরুর সাফল্য ধরে রাখার পাশাপাশি শেষের ওভারগুলোতে রান আটকানোও জরুরি। প্রথম ম্যাচের হার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে আরও গোছানো ক্রিকেট খেলার প্রত্যাশা থাকবে। সমর্থকেরাও চাইবেন দল দ্রুত ছন্দে ফিরুক। সিরিজে টিকে থাকতে পরের ম্যাচটি তাই বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আজকের বসুন্ধরা

আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ