বাংলা|English|العربية|Ελληνικά|Français|हिन्दी|ਪੰਜਾਬੀ|中文|日本語|한국어|Italiano|Español|اردو|Português|Русскийv>
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে তিন দিন পর জলবায়ু-স্বাস্থ্য মূল্যায়নে ৩২ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ১৩ হাম ও উপসর্গে এক দিনে আরও সাত শিশুর মৃত্যু তিন লাল কার্ডের ম্যাচে আবাহনীকে হারাল ব্রাদার্স ইউনিয়ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে অভিষেকে পাঁচ উইকেট রাকিবের, খুলনার জয় ১০ রানে মিরপুর টেস্টের দুই গ্যালারিতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ কঙ্গোতে অষ্টম প্রদেশে ছড়াল ইবোলা প্রাদুর্ভাব কঙ্গোতে শুরু হলো ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইউরোপা লিগে রেনের সঙ্গে ড্র জুভেন্টাসের, শীর্ষে লেভারকুসেন রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে ভারত

আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ। সান্ত্বনার জয়টাও পাওয়া হলো না দলের। শারজাহতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হারের মধ্য দিয়ে সিরিজ থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে জয় তুলে ফাইনালে উঠেছে আফগানিস্তান। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে জিম্বাবুয়ে। পুরো সিরিজ জুড়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স সমর্থকদের হতাশ করেছে। শেষ ম্যাচেও সেই ছবির বদল হয়নি।

শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৬০ রানে। পারভেজ হোসেন ইমনের ৭০ রানের ইনিংসই ছিল দলের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা। সাইফ হাসানের সঙ্গে ইমনের পঞ্চম উইকেট জুটি ছিল ৯৩ রানের। এই জুটি ভাঙার পর আর বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। নিয়মিত উইকেট হারানোয় ইনিংস গুটিয়ে যায় কম রানেই। আফগান বোলারদের সামনে বাকি ব্যাটাররা তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ফলে লক্ষ্যটা হয়ে যায় সহজ।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে আশা জাগান তাসকিন আহমেদ। তিনি গুরবাজ ও সেদিকউল্লাহ অটলকে বোল্ড করে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলেন। কিন্তু এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ ৫৬ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। রহমত শাহ ৬৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান। হাশমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত থাকেন ৩৬ রানে। আফগানিস্তান ৮৭ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে। এত বল বাকি থাকতে জয় পাওয়া বুঝিয়ে দেয় ম্যাচে ব্যবধান কতটা বড় ছিল।

সিরিজ থেকে শূন্য হাতে বিদায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা, বোলিংয়ে শেষের দিকের নিয়ন্ত্রণ এবং ফিল্ডিংয়ে আরও মনোযোগ দরকার। তরুণ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স আশা করা হচ্ছে। সামনের সিরিজগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দলকে নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো শোধরাতে হবে। সমর্থকেরা চাইবেন এই হতাশা কাটিয়ে দল আবার জয়ের ধারায় ফিরুক। টিম ম্যানেজমেন্টের সামনেও এখন পরের পরিকল্পনা সাজানোর বড় চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: শীর্ষ খবর

আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © চলতিপত্র
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ থিমস সেলার

আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ। সান্ত্বনার জয়টাও পাওয়া হলো না দলের। শারজাহতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হারের মধ্য দিয়ে সিরিজ থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে জয় তুলে ফাইনালে উঠেছে আফগানিস্তান। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে জিম্বাবুয়ে। পুরো সিরিজ জুড়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স সমর্থকদের হতাশ করেছে। শেষ ম্যাচেও সেই ছবির বদল হয়নি।

শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৬০ রানে। পারভেজ হোসেন ইমনের ৭০ রানের ইনিংসই ছিল দলের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা। সাইফ হাসানের সঙ্গে ইমনের পঞ্চম উইকেট জুটি ছিল ৯৩ রানের। এই জুটি ভাঙার পর আর বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। নিয়মিত উইকেট হারানোয় ইনিংস গুটিয়ে যায় কম রানেই। আফগান বোলারদের সামনে বাকি ব্যাটাররা তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ফলে লক্ষ্যটা হয়ে যায় সহজ।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে আশা জাগান তাসকিন আহমেদ। তিনি গুরবাজ ও সেদিকউল্লাহ অটলকে বোল্ড করে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলেন। কিন্তু এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ ৫৬ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। রহমত শাহ ৬৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান। হাশমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত থাকেন ৩৬ রানে। আফগানিস্তান ৮৭ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে। এত বল বাকি থাকতে জয় পাওয়া বুঝিয়ে দেয় ম্যাচে ব্যবধান কতটা বড় ছিল।

সিরিজ থেকে শূন্য হাতে বিদায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা, বোলিংয়ে শেষের দিকের নিয়ন্ত্রণ এবং ফিল্ডিংয়ে আরও মনোযোগ দরকার। তরুণ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স আশা করা হচ্ছে। সামনের সিরিজগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দলকে নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো শোধরাতে হবে। সমর্থকেরা চাইবেন এই হতাশা কাটিয়ে দল আবার জয়ের ধারায় ফিরুক। টিম ম্যানেজমেন্টের সামনেও এখন পরের পরিকল্পনা সাজানোর বড় চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: শীর্ষ খবর

আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ